সিঙ্গাপুরে

সিঙ্গাপুরে আনস্কিলে ১০ লাখ টাকা খরচ করে স্কিল কন্ট্রাকে আসার আগে কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

সিঙ্গাপুরে আনস্কিলে ১০ লাখ টাকা খরচ করে স্কিল কন্ট্রাকে আসার আগে কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে।
প্রাথমিক একটা হিসেব দিয়ে রাখি –
মনে করেন আপনার বেতন ধরা হলো ১৮ ডলার –
১৮ ডলার বেতনে + দুই ঘন্টা ওভারটাইম সহ পুরো মাসে প্রায় ৭০০ ডলার বেতন আসবে ।
সিঙ্গাপুরে বর্তমানে সর্বনিম্ন খরচ ৩৫০ ডলার ধরলে।
প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৩৫০ ডলার দেশে পাঠাতে পারবেন ।
বর্তমান ডলারের রেট যদি ১০০ টাকাও ধরি তাহলে ৩৫ হাজার টাকা বেতন আসবে ।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আনস্কিলে কিছু কম্পানি এখন লোক আনা নেওয়ার বিজনেস করে । ১ বছর পরে বলবে কম্পানিতে কাজ নেই । এই অজুহাতে দেশে পাঠিয়ে দেবে & স্কিল কারর সুযোগ দেবে না তখন আপনার কোন উপায় থাকবে না । মাথা নিচু করে দেশে যেতে হবে & পরিবারকে ঋণের বোঝা চাপিয়ে দিতে হবে।
এইটা বর্তমান সিঙ্গাপুরের আনস্কিলের পরিস্থিতি।
বহু প্রবাসী বাংলাদেশীরা এভাবে প্রতারিত হয়ে দেশে ফিরে গিয়ে হায়হুতাশ করছে ।
এসবের জন্য দায়ী ও কিন্তু বাংলাদেশীরা – বাংলাদেশের পাতি এজেন্টদের কারনে বহু পরিবার আজ নিঃস্ব হয়ে গিয়েছে ।
এখন অনেকেই বলবেন তাহলে যারা স্কিল কন্টাকে এসে এক বছর পরে স্কিল করছে তারা !
এই সংখ্যাটা খুব কম । এতো বড়ো রিস্ক নিয়ে সিঙ্গাপুরে আসার জন্য আমি নিরুতসাহিত করছি ।
আর ১ বছর সিঙ্গাপুর থেকে দেশে গিয়ে আবার আসতে সেই ৪-৫ লাখ টাকাই লাগে & বর্তমান সিঙ্গাপুরের বেশিরভাগ কম্পানিই স্কিল করার যে পারমিশন লাগছে তার অনুমতি দেয় না ।
না দেওয়ার কারন ও অবশ্য আমরা সেইটা নিয়া অন্য একদিন আলোচনা করবো । ।
নোট – এখানে আমি একটা প্রাথমিক ধারনা দিয়েছি – ভুল আমার ও হতে পারে ।
ধন্যবাদ
আবদুল করিম সজিব
সিঙ্গাপুর প্রবাসী।
Doller poster
Probashir gif 1
Whatsapp image 2025 09 12 at 15.13.39 07a35f4e

এয়ার টিকেট সিন্ডিকেটে জড়িত ১৩ ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন বাতিল।

এয়ার টিকিটের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিতকরণ এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির প্রতিবেদনে ১৩ ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে গ্রুপ বুকিংয়ের নামে অনির্দিষ্টকালের জন্য চাহিদাসম্পন্ন রুটের এয়ার টিকিট ব্লক করে রাখা এবং উচ্চমূল্যে টিকিট বিক্রির তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়। এসব ট্রাভেল এজেন্সি বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অস্বাভাবিক দামে অতিরিক্ত মুনাফার উদ্দেশ্যে টিকিটের মজুতদারি, কালোবাজারি ও প্রতারণামূলক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হয়েছিল।

বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ এর ৯ ধারার বিধান মতে, ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এবং ট্রাভেল এজেন্সিগুলোকে আত্মপক্ষ সমর্থনে জবাব দাখিলসহ শুনানির সুযোগ প্রদান করে। শুনানিতে দুটি ট্রাভেল এজেন্সি হাজির হয়ে কাগজপত্র দাখিল করলেও অন্য ১১টি ট্রাভেল এজেন্সি আত্মপক্ষ সমর্থনে শুনানিতে হাজির হয়নি। তারা কোনো প্রকার চাহিদা তথ্য প্রদান করেনি, যা বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। উপস্থিত দুটি ট্রাভেল এজেন্সির দাখিল করা কাগজপত্র ও সাক্ষ্য পর্যালোচনায় তাদের বিরুদ্ধে আচরণবিধি

লঙ্ঘনের বিষয় প্রমাণিত হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা ও আকাশ পরিবহন খাতে সুশাসন নিশ্চিতে আইন ও বিধিবহির্ভূত কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার জন্য কাজী এয়ার ইন্টারন্যাশনাল (প্রা.) লিমিটেড, সিটিকম ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল এজেন্সি (প্রা.) লি., আরবিসি ইন্টারন্যাশনাল, মেঘা ইন্টারন্যাশনাল এয়ার সার্ভিস, মাদার লাভ এয়ার সার্ভিস, জেএস ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরস, হাসেম এয়ার ইন্টারন্যাশনাল, ফোর ট্রিপ লিমিটেড, কিং এয়ার এভিয়েশন, বিপ্লব ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল এজেন্ট, সাদিয়া ট্রাভেলস, আত-তাইয়ারা ট্রাভেলস ইন্টারন্যাশনাল ও এনএমএসএস ইন্টারন্যাশনালসহ মোট ১৩টি ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন সনদ বাতিল করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব একেএম মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত পৃথক আদেশে ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর নিবন্ধন বাতিল করা হয়

Whatsapp image 2025 09 12 at 15.13.39 07a35f4e

এয়ার টিকেট সিন্ডিকেটে জড়িত ১৩ ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন বাতিল।

এয়ার টিকিটের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিতকরণ এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্ত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির প্রতিবেদনে ১৩ ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে গ্রুপ বুকিংয়ের নামে অনির্দিষ্টকালের জন্য চাহিদাসম্পন্ন রুটের এয়ার টিকিট ব্লক করে রাখা এবং উচ্চমূল্যে টিকিট বিক্রির তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়। এসব ট্রাভেল এজেন্সি বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অস্বাভাবিক দামে অতিরিক্ত মুনাফার উদ্দেশ্যে টিকিটের মজুতদারি, কালোবাজারি ও প্রতারণামূলক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হয়েছিল।

বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ এর ৯ ধারার বিধান মতে, ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এবং ট্রাভেল এজেন্সিগুলোকে আত্মপক্ষ সমর্থনে জবাব দাখিলসহ শুনানির সুযোগ প্রদান করে। শুনানিতে দুটি ট্রাভেল এজেন্সি হাজির হয়ে কাগজপত্র দাখিল করলেও অন্য ১১টি ট্রাভেল এজেন্সি আত্মপক্ষ সমর্থনে শুনানিতে হাজির হয়নি। তারা কোনো প্রকার চাহিদা তথ্য প্রদান করেনি, যা বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। উপস্থিত দুটি ট্রাভেল এজেন্সির দাখিল করা কাগজপত্র ও সাক্ষ্য পর্যালোচনায় তাদের বিরুদ্ধে আচরণবিধি

লঙ্ঘনের বিষয় প্রমাণিত হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা ও আকাশ পরিবহন খাতে সুশাসন নিশ্চিতে আইন ও বিধিবহির্ভূত কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার জন্য কাজী এয়ার ইন্টারন্যাশনাল (প্রা.) লিমিটেড, সিটিকম ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল এজেন্সি (প্রা.) লি., আরবিসি ইন্টারন্যাশনাল, মেঘা ইন্টারন্যাশনাল এয়ার সার্ভিস, মাদার লাভ এয়ার সার্ভিস, জেএস ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরস, হাসেম এয়ার ইন্টারন্যাশনাল, ফোর ট্রিপ লিমিটেড, কিং এয়ার এভিয়েশন, বিপ্লব ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল এজেন্ট, সাদিয়া ট্রাভেলস, আত-তাইয়ারা ট্রাভেলস ইন্টারন্যাশনাল ও এনএমএসএস ইন্টারন্যাশনালসহ মোট ১৩টি ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন সনদ বাতিল করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব একেএম মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত পৃথক আদেশে ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর নিবন্ধন বাতিল করা হয়